Responsive Ad Slot




Showing posts with label জনপ্রিয়. Show all posts
Showing posts with label জনপ্রিয়. Show all posts

কাল শুরু আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন; বাংলাদেশের সদস্যপদ নিয়ে অনিশ্চয়তা

No comments

Sunday, May 25, 2025

মার্কিন শুল্কারোপ, মিয়ানমার সংঘাত নিয়ে সোমবার মালয়েশিয়ায় শুরু হচ্ছে ৪৬তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন

কুয়ালালামপুরে আসিয়ান এবং জিসিসির মধ্যে দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি জিসিসি এবং চীনের সাথে উদ্বোধনী যৌথ শীর্ষ সম্মেলনও অনুষ্ঠিত হয়। 


সোমবার মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলির সংগঠন (আসিয়ান) এর ৪৬তম শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করতে চলেছে, যেখানে ব্লকের নেতারা অসংখ্য আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত, বিশেষ করে মার্কিন "পারস্পরিক" শুল্ক, মিয়ানমারের সংঘাত এবং দক্ষিণ চীন সাগরে সামুদ্রিক বিরোধ।

"অন্তর্ভুক্তি এবং স্থায়িত্ব" বিষয়বস্তু নিয়ে দুই দিনের এই শীর্ষ সম্মেলন দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় ব্লক এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (GCC) এর মধ্যে দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি কুয়ালালামপুরে GCC এবং চীনের সাথে উদ্বোধনী যৌথ শীর্ষ সম্মেলনের সাথে মিলে যায়।

ব্লকের ১০টি সদস্য রাষ্ট্র অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা এবং টেকসই উন্নয়ন সহ গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা করবে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দর, হোটেল এবং কনভেনশন সেন্টারে ৬,০০০ এরও বেশি পুলিশ কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়েছে।

আসিয়ান সচিবালয়ের এক বিবৃতি অনুসারে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম, ঘূর্ণায়মান চেয়ার হিসেবে, শীর্ষ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন।

মালয় মেইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ সম্মেলনের আগে ভাষণ দিতে গিয়ে আনোয়ার বলেন, বৈঠকে আন্তঃআসিয়ান সহযোগিতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক স্বার্থ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ উদ্যোগের প্রচারের উপর আলোকপাত করা হবে।

তিনি বলেন, আসিয়ান তাদের আর্থিক তহবিল গঠন এবং আঞ্চলিক আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির ধারণা পুনরুজ্জীবিত করতে শুরু করেছে।

এর পরে মঙ্গলবার চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমন্বয়ে গঠিত জিসিসির নেতাদের সাথে একটি শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার চীন-আসিয়ান মুক্ত বাণিজ্য এলাকার ৩.০ সংস্করণ নিয়ে বেইজিং এবং আসিয়ান আলোচনা শেষ করেছে।

ব্লকের সদস্য দেশগুলি ১০% থেকে ৪৯% পর্যন্ত মার্কিন শুল্কের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যদিও রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মাসে জরিমানা ৯০ দিনের জন্য স্থগিতাদেশ ঘোষণা করেছিলেন, যার ফলে আসিয়ান দেশগুলি ওয়াশিংটনের সাথে দ্রুত আলোচনা শুরু করতে বাধ্য হয়েছিল।

আসিয়ান হল ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, ব্রুনাই, থাইল্যান্ড, মায়ানমার, ফিলিপাইন, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়া নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক আন্তঃসরকারি সংস্থা।

মালয়েশিয়া ২০২৫ সালে আসিয়ানের ঘূর্ণায়মান চেয়ারম্যান পদ গ্রহণ করে।

মানবিক সাহায্যের প্রবেশাধিকার এবং আলোচনার আহ্বান জানিয়ে আসিয়ান ব্লকের শান্তি পরিকল্পনা মেনে চলতে সেনাবাহিনী অস্বীকৃতি জানানোর পর মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংকে আসিয়ানের বৈঠক থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত বাংলাদেশ

No comments

Tuesday, December 10, 2024

 


 জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মানবাধিকার পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মানবাধিকার পরিষদের ব্যুরোতে থাকবেন। 

জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী অঙ্গ হিসেবে এই ব্যুরো জাতিসংঘের পাঁচটি আঞ্চলিক গ্রুপের প্রতিটির প্রতিনিধিত্বকারী একজন প্রেসিডেন্ট এবং চারজন ভাইস প্রেসিডেন্ট নিয়ে গঠিত।

এপিজি সর্বসম্মতিক্রমে ভাইস প্রেসিডেন্সির জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতাকে সমর্থন করে এবং কাউন্সিলের বৃহত্তর সদস্যপদ বিবেচনার জন্য মনোনয়ন প্রেরণ করে। অবশেষে প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সমাপ্ত হয়। বাংলাদেশ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সমগ্র কাউন্সিল সদস্যদের সর্বসম্মত সমর্থন অর্জন করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ নির্বাচন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচক্ষণ নেতৃত্বের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা ও বিশ্বাস এবং বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকা ও ক্রমবর্ধমান প্রভাবের স্বীকৃতির আরেকটি উদাহরণ।

(২০২৫ ও ২০২৬ সাল) বিনামূল্যে ৩০ কেজি চাল দেবে সরকার, আবেদন যেভাবে

No comments

Sunday, November 10, 2024

 

অসচ্ছল নারীদের মাসে ৩০ কেজি করে ফ্রিতে চাল দেবে সরকার। ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট প্রোগ্রামের আওতায় এ চাল দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আগামী দু’বছর (২০২৫ ও ২০২৬ সাল) এই সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানা গেছে।

আবেদনের যোগ্যতা

১) শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও কর্মক্ষম নারী
২) বয়স ২০ থেকে ৫০ বছর
৩) জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা বাধ্যতামূলক
৪) পরিবারের স্থায়ী/নিয়মিত আয়ের উৎস নেই এবং কোন উপার্জনক্ষম সদস্য নেই

আবেদন প্রক্রিয়া

অনলাইনে dwavwb.gov.bd অথবা mygov.bd অথবা VWB মোবাইল এ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, তথ্য আপা, স্থানীয় কম্পিউটারের দোকান থেকে এবং ১০৯ ও ৩৩৩ হটলাইন নাম্বারে কল করে আবেদন করা যাবে। পার্বত্য ও দুর্গম এলাকা যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ নেই সেখানে মোবাইল অ্যাপ ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট কার্যক্রমের মাধ্যমে অফলাইনে আবেদনের সুযোগ রয়েছে।

আবেদন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত। আবেদনের পর ইউনিয়ন কমিটি কর্তৃক যাচাই করে উপজেলা কমিটি চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদন করবে।

সেভেন সিস্টার্স এবং চিকেন নেক কি?

No comments

Saturday, August 24, 2024

 



 সেভেন সিস্টার্স এবং চিকেন নেক: ভারতের উত্তর-পূর্বের ভূগোল ও রাজনীতির বিশ্লেষণ


ভূমিকা:

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, যা পরিচিত "সেভেন সিস্টার্স" নামে, দেশটির এক অনন্য এবং ভিন্নতর অঞ্চল। এই অঞ্চলের ভূগোল, সংস্কৃতি, জাতিগত বৈচিত্র্য এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে পৃথক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ অঞ্চলের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য হলো "চিকেন নেক" বা "সিলিগুড়ি করিডর", যা মূল ভারতের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে যুক্ত করে। এই প্রতিবেদনে সেভেন সিস্টার্স ও চিকেন নেকের ভৌগোলিক, ঐতিহাসিক এবং রাজনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।


 সেভেন সিস্টার্স: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্য:

"সেভেন সিস্টার্স" বলতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে বোঝানো হয়। এই রাজ্যগুলো হলো:

1. **অরুণাচল প্রদেশ**

2. **অসম**

3. **মণিপুর**

4. **মেঘালয়**

5. **মিজোরাম**

6. **নাগাল্যান্ড**

7. **ত্রিপুরা**


 ঐতিহাসিক পটভূমি:

এই সাতটি রাজ্যের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বহু প্রাচীন এবং বৈচিত্র্যময়। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের আগে, এই অঞ্চলটি বিভিন্ন রাজা-মহারাজা, আদিবাসী গোষ্ঠী এবং স্থানীয় শাসকদের দ্বারা শাসিত ছিল। ব্রিটিশরা এই অঞ্চলে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর, এটি একটি একক প্রশাসনিক ইউনিটে রূপান্তরিত হয়। ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার পর, এই অঞ্চলটি পুনর্গঠিত হয় এবং ধীরে ধীরে বর্তমান সাতটি রাজ্যে বিভক্ত হয়।


সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য:

সেভেন সিস্টার্স অঞ্চলে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী এবং ভাষার উপস্থিতি দেখা যায়। এখানে প্রায় ২০০টিরও বেশি জাতিগোষ্ঠীর বাস, যারা বিভিন্ন ধরনের ভাষা, ধর্ম, এবং সংস্কৃতি পালন করে। এই অঞ্চলের মানুষরা মূলত তিব্বতি, বর্মিজ, এবং মঙ্গোলীয় জাতির সঙ্গে সম্পর্কিত। তাদের উৎসব, পোশাক, খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রা ভারতীয় মূল ভূখণ্ডের অন্যান্য অংশ থেকে আলাদা।


ভূগোল ও পরিবেশ:

এই সাতটি রাজ্য হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত, যেখানে রয়েছে পাহাড়, নদী, এবং ঘন অরণ্য। অসমের ব্রহ্মপুত্র নদী এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যা চাষাবাদ এবং পরিবহন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অরুণাচল প্রদেশের পাহাড়ি অঞ্চল এবং মণিপুরের লোকটাক হ্রদও পর্যটন এবং পরিবেশগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।


 চিকেন নেক: ভারতের উত্তরের সংকীর্ণ করিডর:



ভৌগোলিক অবস্থান:

"চিকেন নেক" বা "সিলিগুড়ি করিডর" ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সিলিগুড়ি শহরের নিকটবর্তী একটি সংকীর্ণ ভূখণ্ড, যা ভারতকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সেভেন সিস্টার্সের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এই করিডরের প্রস্থ মাত্র ২২-২৫ কিলোমিটার, এবং এটি ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে যুক্ত করার একমাত্র পথ।


 কৌশলগত গুরুত্ব:

চিকেন নেক ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধুমাত্র উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে ভারতের মূল ভূখণ্ডকে সংযুক্ত করে না, বরং এটি ভুটান, নেপাল, এবং বাংলাদেশের সীমানার কাছাকাছি অবস্থিত। এর ফলে এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, সামরিক চলাচল, এবং কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে এর সংকীর্ণতা এবং ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার কারণে, এই করিডরটি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি দুর্বল জায়গা বলে বিবেচিত হয়। যে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা সামরিক উত্তেজনা এই করিডরের মাধ্যমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে ভারতের সংযোগ বিঘ্নিত করতে পারে।


 চ্যালেঞ্জ ও সমস্যা:

চিকেন নেকের ভূগোলের কারণে এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেমন বন্যা এবং ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকে। এছাড়া, এই অঞ্চলে সড়ক ও রেলপথের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাথে যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত করে। তবে, ভারত সরকার এই করিডরের গুরুত্ব বুঝে বেশ কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে, যাতে এই অঞ্চলটি আরও শক্তিশালী এবং নিরাপদ হয়।


সেভেন সিস্টার্স এবং চিকেন নেক, উভয়ই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভৌগোলিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। এই অঞ্চলের বৈচিত্র্য এবং কৌশলগত গুরুত্ব ভারতের জাতীয় ঐক্য এবং নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। সেভেন সিস্টার্সের জনগণ এবং তাঁদের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ভারতের ধনসম্পদ, আর চিকেন নেক এই সম্পদের সঙ্গে ভারতের মূল ভূখণ্ডের সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করে। এই দুইটি অঞ্চলের সুরক্ষা, উন্নয়ন এবং সম্প্রীতি বজায় রাখা ভারতের জাতীয় স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Don't Miss
© all rights reserved
made with গণজমিন মিডিয়া লিমিটেড ২০২৪