Responsive Ad Slot




Showing posts with label ক্যাম্পাস. Show all posts
Showing posts with label ক্যাম্পাস. Show all posts

দ্বিতীয় সমাবর্তন চাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

No comments

Wednesday, May 14, 2025

 


গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পায় সমাবর্তন। কিন্তু তা থেকে বঞ্চিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। অথচ অন্যদিকে দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পায় সমাবর্তন। 

একজন শিক্ষার্থীর সমাবর্তনের কথা মনে পড়লে পড়নে কালো গাউন এবং মাথায় কালো টুপি পড়ে এক ফালি হাসি দিয়ে ছবি তোলার দৃশ্যটি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের সময়ের এ দৃশ্য আজীবন স্মৃতির পাতায় থাকে। সকল শিক্ষার্থীদের লালিত একটাই স্বপ্ন থাকে গ্রাজুয়েশন শেষ কর সমাবর্তন পাওয়া। এই সমাবর্তনটি শুধুমাত্র গাউন আর টুপি পড়ে ছবি তুলা নয় এর সাথে অনেক সম্মান এবং গর্বও জড়িত। কিন্তু খুবই দুঃখজনক হলেও সত্যি, এ ধরনের সম্মান শুধু দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেই দেখা যায়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এর থেকে বঞ্চিত।

এক সমীক্ষায় দেখা যায়- প্রতি বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন কলেজ থেকে প্রায় ৪ লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক সম্পন্ন করে থাকেন। স্নাতক সম্পন্ন করার পর তাদের হাতে শুধু মাত্র একটি কাগজের সার্টিফিকেট ধরিয়ে দেওয়া হয়, কোন সমাবর্তনা দেওয়া হয় না। অথচ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতিবছর অথবা এক দুই বছর অন্তর অন্তর সমাবর্তনা দেওয়া হয়ে থাকে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এটা এখন পর্যন্ত স্বপ্নই হয়ে আছে।

যদিও এর আগে প্রতিষ্ঠার আড়াই দশক পর, ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে হওয়া এ সমাবর্তনায় নানা ভোগান্তিও বিরাজমান ছিল। সমাবর্তনার দিন দেওয়া হয়নি কোন সার্টিফিকেট। ছিল না ভাল কোন ব্যবস্থাপনা। সমাবর্তন পাওয়া সকল স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার। অথচ লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে প্রথম সমাবর্তনাতে গুটি কয়েকজন শিক্ষার্থী পেয়েছিলেন সমাবর্তন।

২০১৭ সাল পেরিয়ে এখন ২০২৫ সাল, কিন্তু ২০১৭ সালের পর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এখনো কোন  সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়নি।

সাম্প্রতিক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠান আজ বুধবার (১৪ মে)। সমাবর্তনে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সমাবর্তনে অংশ নিচ্ছেন ২০১১ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৯টি অনুষদের ২২ হাজার ৫৮৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৪২ জনকে পিএইচডি ও ৩৩ জনকে এমফিল ডিগ্রি প্রদান করা হবে।

এরপর থেকেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় করার জন্য দাবি তুলে ধরেন। 

সকল শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয়ের নিকট অতিদ্রুত দ্বিতীয় সমাবর্তন করার জন্য দাবি জানাচ্ছেন।

অনেক শিক্ষার্থী বলছেন যে, যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে সমাবর্তন একটা স্বপ্ন এবং অধিকারের নাম।

'বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়' ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ। অধিভুক্ত কলেজগুলোয় অধ্যয়নরত মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৮ লাখেরও অধিক।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত সমাবর্তন হলেও দেশের সর্বাধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীদের ঠিকানা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন সমাবর্তন হয় না।

এটা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দুঃখজনক, লজ্জাজনক এবং বিব্রতকরও বটে।

আমি মনে করি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন যাবত 'সমাবর্তন' নামক তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, এই বছর থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত সমাবর্তন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।

আবার অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বলে কি সমাবর্তন পাওয়ার অধিকার রাখিনা?

এ বিষয়ে সমাবর্তন প্রত্যাশী শিক্ষার্থী মো: শরিফুল ইসলাম আশিক বলেন, প্রথমত চাই দ্রুত সমাবর্তন করা হোক। দ্বীতিয়ত প্রথম সমাবর্তনে যে সমস্যাগুলো হয়েছে সেগুলো যেন না হয় এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিশেষ করে আচার্যের হাত থেকে সনদ গ্রহন করা। সার্টিফিকেট ছাড়াই যেন বাসায় ফিরতে না হয়। 

৭ কলেজের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হচ্ছে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ ২০৩১ সাল পর্যন্ত থাকছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে

No comments

Sunday, March 16, 2025

 


রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজের সমন্বয়ে গঠিত হতে যাওয়া নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে এর কার্যক্রম শুরু হতে বেশ সময় লাগবে। এ জন্য আগামী ২০৩১ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তাই নাম চূড়ান্ত হলেও ২০৩১ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধীনে কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অধীনে স্বতন্ত্র কাঠামো থেকে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে সাত কলেজ।

আজ রবিবার (১৬ মার্চ) এ তথ্য জানান ইউজিসির উপ-পরিচালক (পাবলিক ইউনিভার্সিটি) জামাল উদ্দিন। তিনি বলেন, ইউজিসির চেয়ারম্যান স্যার আজ সকালে ৭ কলেজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসেছিলেন। সেখানে তিনি ৭ কলেজের সমন্বয়ে গঠিত নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ ঘোষণা করেন।

কবে থেকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাত্রতো নাম ঠিক হলো। এখন আইন নিয়ে কাজ করতে হবে। এরপর সংসদে এ আইন পাশ করে তবেই বিশ্ববিদ্যালয়। পুরো কার্যক্রম শুরু করতে ২০৩১ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

এর আগ পর্যন্ত বর্তমান শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম কী হবে জানতে চাইলে ইউজিসি উপ-পরিচালক বলেন, এর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন একটি প্রশাসনিক আইনের মাধ্যমেই চলবে। এছাড়া নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রমও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স কোর্সের মেয়াদ ৩ বছর হচ্ছে

No comments

Sunday, February 9, 2025

 


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চার বছরের যে সম্মান বা অনার্স কোর্স রয়েছে তার মেয়াদ কমিয়ে তিন বছর করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস উপলক্ষে রোববার ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা জানান শিক্ষা উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এম আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চার বছরের অনার্স কোর্সকে তিন বছরের কোর্স করা হবে। বাকি এক বছরে ডিপ্লোমা ও কারিগরি ওপর ব্যাপকভাবে শিক্ষা দেওয়া হবে। তারপর তাদের দুটো সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।”

অধ্যাপক আমিনুল বলেন, “একটা অনার্সের সার্টিফিকেট দেওয়া হবে; আরেকটা ডিপ্লোমার সার্টিফিকেট দেওয়া হবে, যে সার্টিফিকেটটা ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে সবার কাছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্নাতক (অনার্স) প্রোগ্রামের সময়কাল ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, এবং মালয়েশিয়ার মতো দেশে স্নাতক ডিগ্রি তিন বছরের হয়। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, এবং বাংলাদেশের মতো দেশে স্নাতক প্রোগ্রাম সাধারণত চার বছরের হয়।

“তার অনার্স পড়ার যে ড্রিম তাও ঠিক থাকল, আর চাকরিও তারা পাবে, অনেক ভালো চাকরি।”

নতুন ব্যবস্থায় কর্মসংস্থানে বেগ পেতে হবে না বলে মনে করেন বিশেষ সহকারী আমিনুল ইসলাম। তার ভাষায়, “একটা অভিনব অসাধারণ সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে।”

সমাজের গৎবাঁধা চিন্তাধারার প্রসঙ্গ টেনে অধ্যাপক আমিনুল বলেন, “সমস্যা হচ্ছে বাপ-মা সবসময় বলে, ‘ছেলেকে বিএ, এমএ পাস করাব’। ছেলে লেখাপড়া করুক আর না করুক, লেখাপড়া করে শিক্ষকতায় থাকুক আর না থাকুক, তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে অনার্স-মাস্টার্স পাস করবে।

“তা না হলে বিয়ের বাজারে তাদের অসুবিধা হবে। কন্যাপক্ষ যদি জানে ছেলে বিএ পাস; এমএ পাস না, অনার্স না- তাহলে বিয়ে হবে না তাদের। ভালো বিয়ে ভেঙে যাবে।”

তিনি বলেন, “আবার এটাও ঠিক- যারা পাস করবে, তারা কেউ চাকরিও করবে না। অনেকের চাকরি দরকারও নাই; বাপ-মার টাকা-পয়সা আছে, ব্যবসা-বাণিজ্য আছে- এগুলো নিয়েই তারা দিব্যি চলতে পারবে।”

ডিপ্লোমা বা কারিগরি ডিগ্রি নিয়ে অনেকেরই যে নাক সিঁটকানো মনোভাব রয়েছে, সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরতে গিয়ে বিশেষ সহকারী আমিনুল বলেন, “এটা একটা ট্যাবু, স্টিগমা রয়েছে গোটা দেশের ভেতর- ‘ডিপ্লোমা যদি পড়ে, কারিগরি যদি পড়ে, তাহলে এটা খুব খারাপ একটা বিষয় হবে। লোকের কাছে মুখ দেখাতে পারবে না।’

“এটার জন্য খুব অভিনব ব্যবস্থা করতে যাওয়া হচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে।”

কারিগরি শিক্ষার আমূল পরিবর্তন আনা হবে জানিয়ে অধ্যাপক আমিনুল বলেন, “যেটার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল দেশের জন্য, সেটা সবচেয়ে অনুন্নত অবস্থায় আছে। তাদের যে শিক্ষক দরকার, তার ১৮ পার্সেন্ট রয়েছে। তাদের প্র্যাক্টিকাল ও থিওরি আছে৷

“প্র্যাক্টিকালের জন্য ল্যাবরেটরি নাই, ট্রেইনার নাই, টিচার নাই। তাই থিওরি পড়িয়ে দেওয়া হয়, পরে ভাইভা নেওয়া হয়। প্র্যাক্টিকাল করানোই হয় না, কিন্তু তার ভিত্তিতেই সার্টিফিকেট দিয়ে দেওয়া হয়। এটার আমূল পরিবর্তন করা হবে।”

তিনি বলেন, “এদের শিক্ষা যেন যথাযথ হয়, ল্যাবরেটরি যেন যথাযথ থাকে, ট্রেইনার যেন যথাযথ থাকে এবং এদের কাজ চলাকালীন সময়ে তাদের জন্য যেন বাইরে ভালো চাকরির ব্যবস্থা করা হয়, এ জন্য তাদের ট্রেইন করা হবে।”

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক সাইদুর রহমান, কারিগরি ও মাদ্রাসার শিক্ষা বিভাগের সচিব কবিরুল ইসলাম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ খান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক অন্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সিদ্দিক জোবায়ের।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক

No comments

Saturday, February 8, 2025

 


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অফিস সম্মেলন কক্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

আজ শুক্রবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক এ তথ্য জানিয়েছন। 

দেশের খ্যাতনামা এ দুইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা ও নানাবিধ শিক্ষা কার্যক্রম সংক্রান্ত ভবিষ্যত সহযোগিতার জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল হান্নান। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলাম, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রফেসর ড. মো. জাকারিয়া, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিন, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং বিভাগীয় প্রধান। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের অধীনে সমঝোতা স্মারকটি সম্পাদিত হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ৩ মে, আবেদনের শেষ সময় ২৮ ফেব্রুয়ারি

No comments

Wednesday, January 22, 2025

 


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হচ্ছে আজ। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা থেকে আবেদন করা যাবে। আবেদন চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে। আগামী ৩ মে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার মো. আবুল কাসেম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভর্তির প্রাথমিক আবেদন ২১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা থেকে শুরু হয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে। আগ্রহী প্রার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ৭০০ টাকা আবেদনকৃত কলেজে (কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অথবা সরাসরি) ২ মার্চের মধ্যে জমা দিতে হবে। আবেদনকারীকে ভর্তি নির্দেশিকার শর্ত মেনে অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ভর্তি কার্যক্রমে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদাভাবে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিতে হবে। এতে সময় পাওয়া যাবে ১ ঘণ্টা। ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএর ৪০ শতাংশ ও এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএর ৬০ শতাংশ যোগ করে সর্বমোট ২০০ নম্বরের মধ্যে মেধা তালিকা প্রস্তুত করা হবে। পরবর্তীতে প্রতিটি কলেজের জন্য আলাদাভাবে বিষয়ভিত্তিক মেধা তালিকা প্রণয়ন করে শিক্ষার্থীদের বিষয় বরাদ্দ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বর ও পরীক্ষা কেন্দ্রের নাম উল্লেখ থাকবে। শিক্ষার্থীকে অবশ্যই ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও এইচএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। পরীক্ষার্থী প্রয়োজনে সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে তবে মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস সঙ্গে আনতে পারবে না।

জানা গেল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ

No comments

Tuesday, December 24, 2024

 


সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা এবং ডিগ্রির মান উন্নয়নে আগামী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের ঘোষণা দেয়া হয়। অধিভুক্ত সব কলেজের স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে ভর্তিতে বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (এমসিকিউ) পদ্ধতিতে এ ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু কর্তৃপক্ষ এখনও তারিখ ও পরীক্ষা পদ্ধতির বিষয়গুলো চূড়ান্ত না করায় তারা উদ্বিগ্ন।

তবে এবার শিক্ষার্থী ও অভিবাকদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. নুরুল ইসলাম দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করব। পদ্ধতি, কি কি বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে এবং কোন কোনটিতে কত নাম্বার সব বিষয় সেখানে উল্লেখ থাকবে। 

তিনি আরও বলেন, সবার চাহিদার কারণে এবার আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ভর্তি পরীক্ষার। গত সপ্তাহে আমরা এ সংক্রান্ত একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে এবার কিছু বিষয় আমরা পরিবর্তন নিয়ে এসেছি। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীরা যেমন বিজ্ঞান বিভাগে পড়লেও মানবিকে কিংবা ব্যবসায় অনুষদে পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হতে পারে, শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েও এবার সেরকম সুযোগ থাকছে। একটা নির্দিষ্ট আসনে শিক্ষার্থীরা বিভাগ পরিবর্তন করে ভর্তির সুযোগ পাবে। 

এবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময়ও এগিয়ে আসবে বলে জানিয়েছেন উপ উপাচার্য। তিনি বলেন, এখনও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ হয়নি। তবে আমাদের ভাবনা রয়েছে গুচ্ছের আগে পরীক্ষা নিয়ে ভর্তির কার্যক্রম শুরু করার। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। এটা হতে পারে গুচ্ছ পরীক্ষার আগে।

ভর্তি পরীক্ষা কোথায় হবে এমন বিষয়ে অধ্যাপক মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ৬৪টি জেলা শহরে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীদের যাতে কোনো বিড়ম্বনায় পড়তে না হয়, তারা নিজেদের জেলা শহরে এসে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

No comments

Thursday, November 28, 2024




জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি নীতিমালা’র আলোকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সকল কলেজ/ইনস্টিটিউটে অধ্যয়নরত (১) বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সকল শিক্ষার্থী (২) স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত অথচ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির আওতাভুক্ত বলে গণ্য হবে। ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে (http://collegeportal.nu.ac.bd/) গিয়ে কলেজ লগইন করে শিক্ষাবৃত্তি তথ্যছক লিংকে এ ক্লিক করে তালিকা দিতে হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সকল শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। 


বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীগণ ভর্তি হওয়ার পর থেকে প্রতি শিক্ষাবর্ষে একবার এককালীন এই বৃত্তি প্রাপ্ত হবে।


ক) বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন-এর সপক্ষে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কোটায় ভর্তির কাগজপত্র আবেদনের সঙ্গে জমা প্রদান করতে হবে।
খ) বৃত্তির জন্য নির্বাচিত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বছরে এককালীন কম-বেশী ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে। তবে বৃত্তিখাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাৎসরিক বাজেটের উপর নির্ভর করে কলেজভিত্তিক বৃত্তি প্রদানের সংখ্যা ও বৃত্তির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।

আর্থিকভাবে অসচ্ছল, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত অথচ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রাপ্তির যোগ্যতা:

ক) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে এই নীতিমালায় বর্ণিত বিধি অনুযায়ী বৃত্তি প্রদান করা হবে;
খ) বৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত অথচ মেধাবী শিক্ষার্থী বৃত্তির আওতাভুক্ত হবে;
গ) সকল ক্ষেত্রে ১ম বর্ষ থেকে পরবর্তী বর্ষ বা বর্ষসমূহে উত্তীর্ণ হওয়ার পর পূর্ববর্তী বর্ষের ফলাফল এবং মেধাক্রম অনুসারে বৃত্তি প্রদান করা হবে;
ঘ) স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে উত্তীর্ণ স্নাতক (পাস) অথবা স্নাতক (সম্মান) কোর্সের ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি প্রদান করা হবে;
ঙ) বৃত্তি প্রাপ্তির জন্য প্রতি বর্ষে শিক্ষার্থীর অর্জিত ফলাফল ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ হওয়া আবশ্যক;
চ) অনুচ্ছেদ-২ এর ‘খ’ ভুক্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা কলেজের একাডেমিক ও সহপাঠসহ সকল কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে থাকে তারা বৃত্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।

বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থীদের তালিকা চূড়ান্তকরণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক গঠিত কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।




আগামী বছর থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে

No comments

Sunday, November 17, 2024

 


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আবার চালু হচ্ছে। আগামী বছর থেকে এই ভর্তি পরীক্ষা পুনরায় শুরু করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত ছাত্র-শিক্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য এই তথ্য জানান।

অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক টিমের সকল সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে আমরা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সংস্কারের চেষ্টা করছি। 

আমরা ২০২৫ সালকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছি। পূর্বের সকল পরীক্ষাগুলো যদি আমরা আগামী বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে পারি, তাহলে সেশনজট ৬০-৭০ শতাংশ হ্রাস করতে সক্ষম হব।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্মকর্তা ৯ দফা সম্পর্কে অবগত নবনিযুক্ত উপাচার্য

No comments

Friday, September 6, 2024

 


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য ড. এস এম আমানুল্লাহ এর সাথে শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ সম্পন্ন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্মকর্তা ৯ দফা সম্পর্কে অবগত। কলেজ থেকে পাঠানো স্মারকলিপি মেইল/ডাকযোগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এসে পৌঁছেছে। এসব বিষয় উনারা ফাইল আকারে রেখেছেন এবং খুবই গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। খুব শীগ্রই এসব বিষয় একাডেমিক মিটিং এ তুলে ধরা হবে।

উপাচার্য ড. এস এম আমানুল্লাহ স্পষ্ট কথা ক্লাস না করে পরীক্ষা দেয়ার কথা ভুলে যেতে হবে। একাডেমিক ক্যালেন্ডার হবে সেটা সঠিক ভাবে মেইনটেইন করা হবে। একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ফরম পূরণ,পরীক্ষা, ফল প্রকাশ করা হবে নির্ধারিত সময়ে।
banner
পরীক্ষার উত্তরপত্র রিভিউ/পুনঃমুল্যায়ন নিয়েও খুব ভাল সিদ্ধান্ত আসবে।
এ বছরের শেষে সমাবর্তন আয়োজনের কথা ছিল আগেই এটা নিয়ে খুব শীগ্রই একটা মিটিং করবেন নবনিযুক্ত উপাচার্য।
সিলেবাসের কাজ অনেক আগেই শুরু হয়েছে এখানেও অনেক পরিবর্তন আসবে। প্রেজেন্টেশন/এসাইনমেন্ট যুক্ত হবে।
মাল্টিমিডিয়া সেন্টার হবে সেখানে কল সেন্টারে যোগাযোগের জন্য একটি নাম্বার সচল থাকবে যেন শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।

রেজাল্টের সার্ভারের লোড বাড়ানো হবে।
একাডেমিক সার্ভিস গুলো আরো ডিজিটাল হবে এবং নাম সংশোধন থেকে শুরু করে সকল সার্ভিস একটি নির্দিষ্ট সময় শেষ হবে এবং দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে।

একাডেমিক মিটিং এ এসব বিষয় নিয়ে দ্রুত আলোচনা করা হবে কলেজ অধ্যক্ষরা এখেনে উপস্থিত থাকবেন। যারা স্মারকলিপি দিয়েছেন তাদের আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই আপনাদের কার্যক্রমের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত পদক্ষেপ নিবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য ড. এস এম আমানুল্লাহ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ড. আমানুল্লাহ

No comments

Tuesday, August 27, 2024

 


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ‍উপসচিব স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

নিয়োগ পেয়ে তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, "ভাইবোন/বৈষম্যবিরোধী ছাত্রছাত্রীরা দোয়া চাই। শহীদের রক্তের ঋণ যেন কিছুটা শোধ করতে পারি। আমার ব্যক্তিগত কোনও চাওয়া-পাওয়া নাই।

এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার একটি পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ‍উপ-সচিব সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

নিয়োগের শর্তে বলা হয়েছে, উপাচার্য হিসেবে তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর হবে। এ পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন। তিনি বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্য সুবিধাদি ভোগ করবেন এবং সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন।

আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর উপাচার্যবিহীন ১৮ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়

No comments

Thursday, August 15, 2024

 

প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৪, ১২:২০ পিএম
আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২৪, ১২:৩১ পিএম


বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫৫টি। এর মধ্যে স্বায়ত্তশাসিত চার বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) 

৫ আগস্ট সরকার পতনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন। এদিন রাতেই মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেন পদত্যাগ করেন। 

পরবর্তী সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা বিভিন্ন সময়ে পদত্যাগ করেন।

Don't Miss
© all rights reserved
made with গণজমিন মিডিয়া লিমিটেড ২০২৪