বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীগণ ভর্তি হওয়ার পর থেকে প্রতি শিক্ষাবর্ষে একবার এককালীন এই বৃত্তি প্রাপ্ত হবে।
ক) বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন-এর সপক্ষে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কোটায় ভর্তির কাগজপত্র আবেদনের সঙ্গে জমা প্রদান করতে হবে।
খ) বৃত্তির জন্য নির্বাচিত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বছরে এককালীন কম-বেশী ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে। তবে বৃত্তিখাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাৎসরিক বাজেটের উপর নির্ভর করে কলেজভিত্তিক বৃত্তি প্রদানের সংখ্যা ও বৃত্তির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।
আর্থিকভাবে অসচ্ছল, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত অথচ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রাপ্তির যোগ্যতা:
ক) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে এই নীতিমালায় বর্ণিত বিধি অনুযায়ী বৃত্তি প্রদান করা হবে;
খ) বৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত অথচ মেধাবী শিক্ষার্থী বৃত্তির আওতাভুক্ত হবে;
গ) সকল ক্ষেত্রে ১ম বর্ষ থেকে পরবর্তী বর্ষ বা বর্ষসমূহে উত্তীর্ণ হওয়ার পর পূর্ববর্তী বর্ষের ফলাফল এবং মেধাক্রম অনুসারে বৃত্তি প্রদান করা হবে;
ঘ) স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে উত্তীর্ণ স্নাতক (পাস) অথবা স্নাতক (সম্মান) কোর্সের ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি প্রদান করা হবে;
ঙ) বৃত্তি প্রাপ্তির জন্য প্রতি বর্ষে শিক্ষার্থীর অর্জিত ফলাফল ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ হওয়া আবশ্যক;
চ) অনুচ্ছেদ-২ এর ‘খ’ ভুক্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা কলেজের একাডেমিক ও সহপাঠসহ সকল কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে থাকে তারা বৃত্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।
বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থীদের তালিকা চূড়ান্তকরণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক গঠিত কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।
No comments
Post a Comment