Responsive Ad Slot




Showing posts with label সাধারণ. Show all posts
Showing posts with label সাধারণ. Show all posts

সরকারি পলিটেকনিকে ভর্তিতে বসতে হবে পরীক্ষায়

No comments

Monday, May 26, 2025

 


দেশের সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আবারও ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হতে হচ্ছে। আগামী ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি পলিটেকনিকে ভর্তি হতে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার (২৬ মে) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের গৃহীত কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা অবহিতকরণ’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদাসা শিক্ষা বিভাগ। আগে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু ছিল। ২০১৬ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এ পদ্ধতি বাতিল করে জিপিএ অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তির নিয়ম চালু করে। এ নিয়ম বাদ দিয়ে পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি ফেরানো হচ্ছে।

ড. খ ম কবিরুল ইসলাম বলেন, নতুন ব্যবস্থায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৭০ নম্বর থাকবে এমসিকিউ (বহুনির্বাচনী) পরীক্ষায়, বাকি ৩০ নম্বর একাডেমিক ফলাফলের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।

কারিগরি শিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোর লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করে তাদের ভর্তি নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রকৃত আগ্রহী ও যোগ্য শিক্ষার্থীরা কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত হতে পারবে।

দ্বিতীয় সমাবর্তন চাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

No comments

Wednesday, May 14, 2025

 


গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পায় সমাবর্তন। কিন্তু তা থেকে বঞ্চিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। অথচ অন্যদিকে দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পায় সমাবর্তন। 

একজন শিক্ষার্থীর সমাবর্তনের কথা মনে পড়লে পড়নে কালো গাউন এবং মাথায় কালো টুপি পড়ে এক ফালি হাসি দিয়ে ছবি তোলার দৃশ্যটি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের সময়ের এ দৃশ্য আজীবন স্মৃতির পাতায় থাকে। সকল শিক্ষার্থীদের লালিত একটাই স্বপ্ন থাকে গ্রাজুয়েশন শেষ কর সমাবর্তন পাওয়া। এই সমাবর্তনটি শুধুমাত্র গাউন আর টুপি পড়ে ছবি তুলা নয় এর সাথে অনেক সম্মান এবং গর্বও জড়িত। কিন্তু খুবই দুঃখজনক হলেও সত্যি, এ ধরনের সম্মান শুধু দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেই দেখা যায়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এর থেকে বঞ্চিত।

এক সমীক্ষায় দেখা যায়- প্রতি বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন কলেজ থেকে প্রায় ৪ লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক সম্পন্ন করে থাকেন। স্নাতক সম্পন্ন করার পর তাদের হাতে শুধু মাত্র একটি কাগজের সার্টিফিকেট ধরিয়ে দেওয়া হয়, কোন সমাবর্তনা দেওয়া হয় না। অথচ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতিবছর অথবা এক দুই বছর অন্তর অন্তর সমাবর্তনা দেওয়া হয়ে থাকে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এটা এখন পর্যন্ত স্বপ্নই হয়ে আছে।

যদিও এর আগে প্রতিষ্ঠার আড়াই দশক পর, ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে হওয়া এ সমাবর্তনায় নানা ভোগান্তিও বিরাজমান ছিল। সমাবর্তনার দিন দেওয়া হয়নি কোন সার্টিফিকেট। ছিল না ভাল কোন ব্যবস্থাপনা। সমাবর্তন পাওয়া সকল স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার। অথচ লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে প্রথম সমাবর্তনাতে গুটি কয়েকজন শিক্ষার্থী পেয়েছিলেন সমাবর্তন।

২০১৭ সাল পেরিয়ে এখন ২০২৫ সাল, কিন্তু ২০১৭ সালের পর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এখনো কোন  সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়নি।

সাম্প্রতিক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠান আজ বুধবার (১৪ মে)। সমাবর্তনে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সমাবর্তনে অংশ নিচ্ছেন ২০১১ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৯টি অনুষদের ২২ হাজার ৫৮৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৪২ জনকে পিএইচডি ও ৩৩ জনকে এমফিল ডিগ্রি প্রদান করা হবে।

এরপর থেকেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় করার জন্য দাবি তুলে ধরেন। 

সকল শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয়ের নিকট অতিদ্রুত দ্বিতীয় সমাবর্তন করার জন্য দাবি জানাচ্ছেন।

অনেক শিক্ষার্থী বলছেন যে, যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে সমাবর্তন একটা স্বপ্ন এবং অধিকারের নাম।

'বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়' ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ। অধিভুক্ত কলেজগুলোয় অধ্যয়নরত মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৮ লাখেরও অধিক।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত সমাবর্তন হলেও দেশের সর্বাধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীদের ঠিকানা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন সমাবর্তন হয় না।

এটা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দুঃখজনক, লজ্জাজনক এবং বিব্রতকরও বটে।

আমি মনে করি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন যাবত 'সমাবর্তন' নামক তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, এই বছর থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত সমাবর্তন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।

আবার অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বলে কি সমাবর্তন পাওয়ার অধিকার রাখিনা?

এ বিষয়ে সমাবর্তন প্রত্যাশী শিক্ষার্থী মো: শরিফুল ইসলাম আশিক বলেন, প্রথমত চাই দ্রুত সমাবর্তন করা হোক। দ্বীতিয়ত প্রথম সমাবর্তনে যে সমস্যাগুলো হয়েছে সেগুলো যেন না হয় এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিশেষ করে আচার্যের হাত থেকে সনদ গ্রহন করা। সার্টিফিকেট ছাড়াই যেন বাসায় ফিরতে না হয়। 

শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

No comments

Thursday, November 28, 2024




জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি নীতিমালা’র আলোকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সকল কলেজ/ইনস্টিটিউটে অধ্যয়নরত (১) বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সকল শিক্ষার্থী (২) স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত অথচ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির আওতাভুক্ত বলে গণ্য হবে। ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে (http://collegeportal.nu.ac.bd/) গিয়ে কলেজ লগইন করে শিক্ষাবৃত্তি তথ্যছক লিংকে এ ক্লিক করে তালিকা দিতে হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সকল শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। 


বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীগণ ভর্তি হওয়ার পর থেকে প্রতি শিক্ষাবর্ষে একবার এককালীন এই বৃত্তি প্রাপ্ত হবে।


ক) বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন-এর সপক্ষে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কোটায় ভর্তির কাগজপত্র আবেদনের সঙ্গে জমা প্রদান করতে হবে।
খ) বৃত্তির জন্য নির্বাচিত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বছরে এককালীন কম-বেশী ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে। তবে বৃত্তিখাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাৎসরিক বাজেটের উপর নির্ভর করে কলেজভিত্তিক বৃত্তি প্রদানের সংখ্যা ও বৃত্তির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।

আর্থিকভাবে অসচ্ছল, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত অথচ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রাপ্তির যোগ্যতা:

ক) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে এই নীতিমালায় বর্ণিত বিধি অনুযায়ী বৃত্তি প্রদান করা হবে;
খ) বৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত অথচ মেধাবী শিক্ষার্থী বৃত্তির আওতাভুক্ত হবে;
গ) সকল ক্ষেত্রে ১ম বর্ষ থেকে পরবর্তী বর্ষ বা বর্ষসমূহে উত্তীর্ণ হওয়ার পর পূর্ববর্তী বর্ষের ফলাফল এবং মেধাক্রম অনুসারে বৃত্তি প্রদান করা হবে;
ঘ) স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে উত্তীর্ণ স্নাতক (পাস) অথবা স্নাতক (সম্মান) কোর্সের ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি প্রদান করা হবে;
ঙ) বৃত্তি প্রাপ্তির জন্য প্রতি বর্ষে শিক্ষার্থীর অর্জিত ফলাফল ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ হওয়া আবশ্যক;
চ) অনুচ্ছেদ-২ এর ‘খ’ ভুক্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা কলেজের একাডেমিক ও সহপাঠসহ সকল কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে থাকে তারা বৃত্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।

বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থীদের তালিকা চূড়ান্তকরণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক গঠিত কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।




সংঘর্ষে মোল্লা কলেজের তিন শিক্ষার্থী নি*হ*ত!

No comments

Monday, November 25, 2024

 


ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজে হামলা চালিয়েছেন সোহরাওয়ার্দী ও কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় যাত্রাবাড়ীর ডেমরা এলাকা। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন।

এর আগে মোল্লা কলেজের উদ্দেশে পদযাত্রা করেন সোহরাওয়ার্দী ও কবি নজরুল কলেজের হাজারো শিক্ষার্থী। লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিল দিতে দিতে তাদের যেতে দেখা যায়। পরে মোল্লা কলেজের ভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালানো হয়।

পরে ডিএমআরসির শিক্ষার্থীরা ধাওয়া দিলে পিছু হটেন সোহরাওয়ার্দী ও কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। সোহরাওয়ার্দী ও কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থীরা মোল্লা কলেজে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় কলেজের বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে আসতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের হাতে।

এতে রাজধানীর ১৫টিরও বেশি কলেজের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

সংঘর্ষে নিহত ৩ শিক্ষার্থীর নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি কলেজ কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি নিহতদের মরদেহ কলেজে নাকি কোনো হাসপাতালে, তা নিয়েও নিশ্চিত করে কিছু বলেনি কলেজ কর্তৃপক্ষ। 

প্রয়োজনে ঈদের ছুটিতে অনলাইন ক্লাস

No comments

Monday, June 10, 2024

 



নতুন শিক্ষাক্রমের ওপর ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে ষাণ্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়ন শুরু হবে আগামী ৩ জুলাই থেকে। এজন্য এরইমধ্যে সারা দেশে বিষয়ভিত্তিক সিলেবাস পাঠানো হয়েছে। 

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের আশা, এই সময়ের মধ্যে শিখন অভিজ্ঞতাগুলো শেষ হবে। তবে, ঈদের বন্ধের আগে যদি ষাণ্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত কোনো অভিজ্ঞতা সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ছুটির মধ্যেও অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে এনসিটিবি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে এনসিটিবির ওই নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। মাউশির মাধ্যমিক বিভাগের সহকারী পরিচালক এস এম জিয়াউল হায়দার চিঠিতে সই করেছেন।

Don't Miss
© all rights reserved
made with গণজমিন মিডিয়া লিমিটেড ২০২৪