নিজস্ব প্রতিবেদন : গণজমিন
তথ্যসূত্র : অনলাইন, উইকিপিডিয়া
![]() |
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ২০২৩ সালের ‘জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন’ |
জি-২০ এর পূর্ণরূপ :
গ্রুপ অব টোয়েনটি ফিন্যানস মিনিস্টারস অ্যান্ড সেন্টাল ব্যাংক গভর্নরস ( জি-২০, গ্রুপ অব টোয়েনটি ) ।
জি-২০ এর জন্ম ও ইতিহাস :
বিশ্বের অর্থনৈতিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৯ সালে গঠিত হয়েছিল গ্রুপ অব টোয়েনটি বা জি-২০। এটি মূলত বিভন্ন রাষ্টের অর্থমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যােঙ্কের গভর্নরদের একটি সভা ছিল। সভার লক্ষ ছিল, বৈশিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক সঙ্কট সমাধানের জন্য কার্যকরী নীতিমালা রচনা।
বর্তমানে এই ফোরামের শীর্ষ সম্মেলনে প্রতিটি সদস্য দেশের রাষ্টপ্রধান, অর্থমন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী, এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা অংশ নিয়ে থাকেন। এর পাশাপাশি, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বেসরকারি সংস্থাকেও এই সম্মেলনে অংগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
কানাডার সাবেক অর্থমন্ত্রী পলমার্টিন প্রথম জি- ২০ গঠনের প্রস্তাব করেন। ২০০৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরে জি-২০ এর নেতারা ঘোষণা দেন যে, জি-৮ কে জি-২০ অদূর ভবিষ্যতে প্রতিস্থাপন করবেন। ২০১১ সাল থেকে জি-২০ এর বার্ষিক সম্মেলন নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
জি-২০ এর সদস্য সংখ্যা :
গ্রুপের সদস্য ১৯ টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এবং ইউরোপীয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্ব করেন। সমষ্টি গত ভাবে জি-২০ এর অন্তরর্ভুক্ত দেশ সমূহ পৃথিবীর মোট জাতীয় উৎপাদনের ৮৫%, বিশ্ববণিজ্যের ৮০%, এবং বিশ্বের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা গঠন করে।
বর্তমান সদস্য :
২০২৩ সালের হিসেবে এই গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ২০ দেশ ( আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরষ্ক, যুক্তরাজ্য, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট। স্পেন এই স্থায়ী আমন্ত্রিতঅতিথি।
পদের আবর্তন :
কোন সদস্যকে নিদিষ্ট বছরের জন্য জি-২০ নেতাদের বৈঠকে সভাপতিত্বের দায়িত্ব দেওয়া হবে তা নির্ধারণ করতে, ১৯ টি সার্বভৌম দেশকে সর্বোচ্চ চার সদস্যের পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত করা হয়।
পদের আবর্তন :
গ্রুপ ১ :




গ্রুপ ২ :




গ্রুপ ৩ :



গ্রুপ ৪ :




গ্রুপ ৫ :




No comments
Post a Comment